রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

ঘটি বাড়ির ” রান্নাপুজো ” বা অরন্ধন

পশ্চিমবঙ্গের বহু পরিবারে ভাদ্র মাসের শেষদিন বা সংক্রান্তিতে আর শ্রী পঞ্চমীর পরের দিন বা শীতল ষষ্ঠীর দিন অরন্ধন পালন করা হয়। কোনো কোনো জায়গায় আবার

গল্প

ডাইনীর গল্প

কলমে মৌমিতা ( Prianxi ) মাদুরটা বগলদাবা করে ধুপধাপ শব্দ তুলে ছাদের সিঁড়ি দিয়ে উঠছে বিস্কুট , সেজোকাকার ছেলে | পোষাকি নাম অমোঘ চৌধুরী ,

রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

নেশা-ভাং ও বাবার ‘পেসাদ’

পাতাটা দেখতে অনেকটা হাতের তালুর মতো ।হাতের তালুর সঙ্গে যেমন পাঁচটা আঙ্গুল জুড়ে থাকে , ঠিক তেমনি পাঁচটা অথবা সাতটা কিংবা. নয়টা বৃন্তহীন পত্রক একসাথে

রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

দেবভোগ্য – পুজোর ভোগ

পনেরোই অগস্ট আসা মানেই কয়েকদিনের মধ্যেই রান্নাপুজো তারপর মহালয়া … আর দেখতে দেখতে “দুগ্গাপুজো” | ঘরের মেয়ে উমার সঙ্গে সঙ্গে আমার মা-মাসিরাও সবাই ওই কদিনের

রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

বাঙালির আচার-বিলাস

” ছাতের ঘরে আমের আচারফেরিওয়ালার ডাক …কালবোশেখে শীল কুড়োনোসন্ধ্যেবেলায় শাঁখ … “ মনে আছে ঋতুপর্ণ ঘোষের লেখা সেই বোরোলীনের জিঙ্গেল ? ভাঁড়ার ঘরের আলো আঁধারির

রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

শ্রীচৈতন্যের প্রিয় সুকুতা বা শুক্তো – বাংলার একটি প্রাচীন পদ

সেই কোন কাল থেকে চলে আসছে শুক্তোর সঙ্গে ভেতো বাঙালির প্রথমপাতের রোম্যান্স | ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে গাওয়া-ঘি এর পরেই আসতো তেতোর পালা | 

রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

গরম রসগোল্লা আর নরম দানাদারের কিসসা

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে , আরো একটু বেশি বয়সে সে স্মৃতির সাতকাহন ডাইরির পাতায় লিখে রাখতে খুব ইচ্ছে করে | 

রান্না-বান্না ঘোরাঘুরি ও আটপৌরে জীবনের গল্প

শতবর্ষের দোরগোড়ায় হোটেল ‘সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম’

কলকাতা কর্পোরেশনের গায়ে লাগানো ঝাঁকড়া গাছটার আড়ালে ঢেকে যাওয়া সাইনবোর্ডটা খুঁজে পেতে একটু অসুবিধে হতে পারে। কিন্তু কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই আপনাকে দেখিয়ে দেবে – ‘

গল্প

কল্পতরু শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাধন্য গিরিশ

বেলা পড়ে আসছে, লাল সূর্য যেন মুঠো মুঠো আবির ছড়িয়ে দিচ্ছে বাগবাজারের গঙ্গার জলে | আর সেই সঙ্গে অপরাহ্নের ম্লান আলো গিরিশবাবুর মনের বিষাদকে বাড়িয়ে

রান্না

ছুটির দইয়ের মালপোয়া ও গ্রীক লুকোমাদাসের গপ্পো

দোতলার টানাবারান্দা হইতে মুখ বাড়াইয়া হেমলতা স্বামীকে ডাকিলো – শুনছেন , আজ একটু দম্বল আনতে হবে , ময়দাও বাড়ন্ত | ” নিচের উঠানে দাঁড়াইয়া দীপেন্দ্রনাথ