রান্না

শুভ নববর্ষ ১৪২৪

প্রথমেই সবাইকে জানাই শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেছা ।
গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রাণ একেবাবারে ওষ্ঠাগত নিশ্চই ? এখনকার প্রজন্মের কথা জানিনা তবে আমাদের ছোটবেলা গরমের দিনগুলো এতটাও খারাপ ছিল না।গরমের-ছুটির দিনগুলোতে সারা দিন ধরে সুর করে হেঁকে যাওয়া ফেরিওয়ালার ডাক – মাটির কুঁজো, তালপাতার পাখা, বেলফুল জুঁইফুল এর চারা, কাঁচা-মিঠে আম. …আরো কত কি ; বিশেষ করে গরমের বিকেলে গুলোতে আমাদের পাড়া দিয়ে একজন জাদুকর যেত, মাথায় তার লাল কাপড় জড়ানো একটা মাটির হাঁড়ি। আমরা ছোটরা , কেউ ছাদ থেকে কেউ বারান্দা দিয়ে উঁকি-ঝুঁকি মারতাম , কারণ ওই হাড়িতেই থাকতো আমাদের পরম আকাঙ্খিত বস্তুটি – ”সাতরাজারধন এক মানিক”, যে আজকের গল্পের নায়িকা। ঠিক ধরেছেন আজকের গল্প কুলফিকে নিয়ে।

কুলফি বানাতে যা যা লাগবে

দুধ – ৮কাপ

চিনি – ১+১/২ কাপ

করণফ্লাওয়ার – ২চা চা ,

গোলাপ জল,

জাফরান ,

কি ভাবে বানাবেন :

১। দুধ ঘন করে অর্ধেক করতে হবে,

২। আধ কাপ ঠাণ্ডা দুধে কর্নফ্লাওয়ার গুলে নিয়ে দুধে মেশাতে হবে আর সঙ্গে সঙ্গে নাড়তে হবে যাতে লাম্প না হয়ে যায় ,

৩। এবার দুধের সাথে চিনি মিশিয়ে একবার ভালো ভাবে ফোটাতে হবে ,

৪। উনুন থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে গোলাপ জল, জাফরান, পেস্তা বাদামের কুচি মেশাতে হবে।

৫। একটি ঢাকনা দেয়া পাত্রে দুধ ঢেলে নিয়ে ফ্রীজারে রেখে ঠান্ডা করতে হবে।

৬। ১ঘন্টা পর বেরকরে এনে মিক্সি বা ব্লেন্ডারে খুব ভালো ভাবে ফেটিয়ে কুলফির ছাঁচে ঢেলে ফ্রীজারে
রাখতে হবে।

৭। ফ্রিজ না থাকলে একটি বড় পাত্রে বরফের সাথে মোটাদানা নুন মিশিয়ে তার মধ্যে দুধ-মালাই ভরা কুলফির ছাঁচ গুলো ঢুকিয়ে খানিক্ষন ঠান্ডা হতে দিলেই তৈরী কুলফি-মালাই বা মালাই-কুলফি। মটকা-কুলফি এই ভাবেই জমানো হয়।

৮। কুলফি ছাঁচ থেকে বার করার আগে ছাঁচটা দুহাতের তালুতে সামান্য চেপে ঘসে নেবেন, তাতে হাতের তালুর গরমে কুলফি ছাঁচের গা থেকে খুলে যাবে এবং গোটা কুলফি ছাঁচ থেকে বের হয়।